স্বাস্থ্য

ওজন কমাতে ফলের গুনাগুণ

১। ফল

i)আপেল

আপেল অনেক সুস্বাদু এবং ভিটামিন যুক্ত ফল, আপেল মূলত তার মিষ্টি স্বাদের জন্য জনপ্রিয় সারা পৃথিবীব্যপি আপেলের চাষ হয়ে থাকে এবং সবচেয়ে বেশি চাষকৃত প্রজাতি হচ্ছে  জেনাস ম্যলুস। আপেল মূলত তার মিষ্টি স্বাদের জন্য জনপ্রিয় সারা পৃথিবীব্যপি আপেলের চাষ হয়ে থাকে এবং সবচেয়ে বেশি চাষকৃত প্রজাতি হচ্ছে  জেনাস ম্যলুস   আপেলে আছে শর্করা, ভিটামিন, খনিজ লবণ, আঁশ, পেকটিন ম্যালিক এসিড। আপেল ক্যান্সার প্রতিরোধে করে, হার্ট ভালো রাখে, ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে, ত্বক ভালো থাকে, দাঁত ভালো রাখে, হজম ক্ষমতা বাড়তে সাহায্য করে, বাতের ব্যথা দূর করতে পারে, পানিশুন্যতা দূর করতে পারে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে, রোগপ্রতিরোধে বাড়ায়।

ii) কলা

কলা অনেক প্রিয় একটা খাবার, বাংলাদেশের মানুষের অনেক প্রিয় একটা ফল হল কলা, দামে কম সব শ্রনির মানুষের জন্য হাতের নাগালে সাশ্রয়ী দামে পাওয়া যায়।  সাধারণত উষ্ণ জলবায়ু সম্পন্ন দেশসমূহে কলা ভাল জন্মায়। বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর বহু দেশে কলা অন্যতম প্রধান ফল। বাংলাদেশের নরসিংদীমুন্সীগঞ্জযশোরবরিশালবগুড়ারংপুরজয়পুরহাটকুষ্টিয়াঝিনাইদহমেহেরপুর, প্রভৃতি এলাকায় শত শত বৎসর যাবৎ ব্যাপকভাবে কলার চাষ হয়ে আসছে। বাংলাদেশে কলা চাষের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল সারা বছর দেশের প্রায় সব অঞ্চলের উঁচু জমিতেই এর চাষ করা যায়। যারা হাড়ের গাঁটে গাঁটে বাতের ব্যাথার সমস্যায় ভুগছেন, তাদের খাদ্যাভাসে কলা রাখতে পারেন।

iii) আঙ্গুর

আঙ্গুর অনেক সুস্বাদ এবং ভিটামিন যক্ত ফল, আঙ্গুরে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, যা আপনার বার্ধক্য রোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আঙ্গুরের বীজ খোসায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। অতএব দিনে একবার হলেও এক থোকা আঙ্গুর খেতে ভুলবেন না। যারা রক্ত সঞ্চালনের ভারসাম্যহীনতায় ভোগেন তাদের জন্য আঙ্গুরের জুস খুবই উপকারী। আঙ্গুরে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস বিদ্যমান থাকে, যা নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনে সহায়ক ইনসুলিন বৃদ্ধি করে।

২।

i)পিঁয়াজ

পিঁয়াজ রান্নার জন্য প্রতিদিনই আমাদের দরকার হয়। পিঁয়াজ ছাড়া রান্নার কথা ছিন্তা   করা যায় না। পিঁয়াজ বহু গুনের অধিকারী ।পেঁয়াজের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ সালফার থাকার কারণে এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাংগাল গুণ সাধারণ সর্দি, কাশি থেকে হার্টের সমস্যাও দূরে রাখতে পারে।  

ii) রসুন

রসুন এক দারুণ পেনিসিলিন জাতীয় মসলা। রশুন দিয়ে রান্না করতে গৃহিণীরা অনেক সাচ্ছন্দ্য বোধ করে, রসুন মানুষের দেহে এমন কোনো রোগ বালাই নেই যার প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে না। রসুন একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে।  পেটের অন্যান্য গণ্ডগোলজনিত অসুখ যেমন ডায়রিয়া সারাতে, শরীরের রক্ত পরিশুদ্ধ করণে লিভারের ফাংশন ভালো রাখতে ভূমিকা রাখে।

 

iii) আদা

রান্নার স্বাদ ঘ্রাণ বাড়ানোর উপকরণ হিসেবে আদার জুড়ি নেই। আদাতে আছে অনেক রকম ভিটামিন। বমিভাব বা বমি হচ্ছে অনেক? আদা কুচি করে চিবিয়ে খান অথবা আদার রসের সাথে সামান্য লবণ মিশিয়ে পান করুন। তাৎক্ষণিক সমাধান পেয়ে যাবেন।  আদা হজমে সমস্যা সমাধান করে এবং পেটে ব্যথা দূর করতে সহায়তা করে।

.

  1. i) পুদিনা

এর পাতা সুগন্ধি হিসাবে রান্নায় ব্যবহার করা হয়। পুদিনা জীবানুনাশক হিসাবে কাজ করে। কাশি,অরুচি পাকস্থলীর প্রদাহে পুদিনা উপকারী।  পুদিনা পাতার চা শরীরের ব্যাথা দুর করতে খুবই উপকারি।

 

  1. ii) পিঁয়াজজাতীয় পাতা

 

 

Please follow and like us:

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *