ক্যারিয়ার জব বৃত্তি

কিভাবে বিদেশে এডমিশনের জন্য প্রিপারেশন নিতে হয়

বর্তমানে আমরা কমবেশি সবাই উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে চাই। বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহন আমাদের ক্যারিয়ারে এক অন্যরকম মাত্রা যোগ করে দেয়। আর এজন্য আপনাকে নিতে হবে নানা ধরনের প্রস্তুতি।

এসব প্রস্তুতির সাথে সাথে বেশকিছু দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। যেমন –

  • আপনি কোন বিষয়ে উচ্চ ডিগ্রী নিতে চাইছেন তা ঠিক করতে হবে।
  • আপনার পছন্দের বিষয়টির উপর কোন দেশের পড়াশোনা ভাল সেদিকে খেয়াল করতে হবে।
  • কোন কোন ইউনিভার্সিটিতে আপনার পছন্দের বিষয়টি ভাল পড়ানো হয়।
  • আপনার আর্থিক অবস্থার সাথে কোন ইউনিভার্সিটির খরচ মেলে।
  • স্কলারশিপের সুযোগ সম্পর্কে জানতে হবে।

এসব কিছু প্রথমেই বিবেচনায় রাখতে হবে। এরপরও আপনাকে মোটামুটি এসকল বিষয়ের সাথেসম্পর্কিত আরো অনেক কিছু সম্পর্কেই ধারণা নিতে হবে। তবে বিদেশে এডমিশন নেওয়ার ক্ষেত্রে মূল যেসব প্রস্তুতির বিষয় রয়েছে তা হল –

 

 

 

১। আপনি কোন দেশে পড়তে চান তার উপরই মূলত নির্ভর করে প্রস্তুতির বিষয়টা। যেমন ধরুন আপনি ইউকে তে পড়তে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে আইল্টসের জন্য এবং আমেরিকাতে পড়তে চাইলে টোফেলের জন্য পড়াশোনা করতে হবে।

২। বিদেশে বেশিরভাগ সেশনগুলোই শুরু হয় সেপ্টেম্বর থেকে তাই আপনাকে সেই সময় মাথায় রেখে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে যেন কোনোভাবেই সেশন মিস না হয়ে যায়। মিস হয়ে গেলে আপনার পড়াশোনায় একটা বিরতি আসার সম্ভাবনা থাকে।

৩। স্টুডেন্ট কাউন্সিল অফিসে যাওয়ার আগে অবশ্যই ভাল করে খোঁজ খবর নিন। কেননা এক এক জায়গায় এক এক রকম ফি নেয়। তাই ভাল করে জেনে শুনে যাওয়া উচিত।

৪। অ্যাপ্লিকেশন সময়মত দেওয়া না হলে অনেক সময় রিজেক্ট হতে হয়। সেজন্য এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।

৫। আর্থিক দিকটি আপনাকে সবসময়ই মাথায় রাখতে হবে। কেননা বড় অঙ্কের টাকার ক্ষেত্রে সচেতন থাকাই ভাল।

৬। পড়াশোনা শেষ হবার পর নয়, থার্ড ইয়ার থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া বা চিন্তা ভাবনা শুরু কররা উচিত। কেননা বিদেশে এডমিশনের ব্যাপারটির প্রস্তুতিমূলক অনেক কাজ থাকে তা যদি আগে থেকে শুরু করা না হয় তাহলে সময়মত সবকিছু সঠিকভাবে হবে না। তাই এই ব্যাপারে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত।

৭। আপনি জিমেট করবেন নাকি জিআরই তা আপনাকে আগেই ঠিক করে নিতে হবে। আপনি যদি এমবিএ বা বিজনেসে মাস্টার্স বা পিএইচডি করতে চান তবে আপনার জন্য জিমেটই করাই সঠিক হবে। আর এসব না করে অন্য কিছু করতে চাইলে আপনাকে জিআরই করতে হবে।

৮। আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া বা অন্য যে দেশেই আপনি যেতে আগ্রহী হন না কেন সবার আগে সে দেশের আবেদন পদ্ধতি এবং অন্যান্য সকল বিষয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা রাখুন।

বিদেশে এডমিশন নিতে হলে আসলে আপনাকে অনেক অনেক ব্যাপারে জানতে হবে। ব্যাপারটা শুধু জানাতেই সীমাবদ্ধ নয় আসলে আপনাকে সকল বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারনা রাখতে হবে। তাহলে মোটামুটি সকল ধাপের সকল কাজই আপনার জন্য সহজ হয়ে যাবে।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *