ইন্টেরিওর জীবন ধারা স্বাস্থ্য

টাইলসের বাসা কিভাবে পরিস্কার করবেন

টাইলস করা বাসা দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি এর পরিস্কার নিয়েও অনেককেই ভোগান্তিতে পড়তে হয়। সাধারণ বাসা সামান্য ময়লা হলেও তেমন একটা খারাপ দেখায় না শুধুমাত্র কম বোঝা যাওয়ার কারণে কিন্তু টাইলসের বাসা একটা চুল পড়ে থাকলেও তা দৃষ্টির আড়ালে যায় না। এখন টাইলসের বাসা যদি সামান্য ময়লা হয় তাহলে সে বাসা কতটা খারাপ দেখা যাবে সে ধারণা কম বেশি সবারই আছে। তাই টাইলসের বাসা নিয়মিত পরিস্কার করতে হয়। এখন প্রশ্ন কিভাবে এই টাইলসের বাসা সবসময় পরিস্কার রাখতে পারবেন? কি মনে হচ্ছে অনেক কঠিন? না, মোটেও কঠিন কিছু নয়। খুব সহজভাবেই একটু চেষ্টায় আপনার টাইলসের বাসাটি সবসময় ঝকঝকে তকতকে রাখতে পারবেন। যেমন –

১। টাইলসে মোজাইকের মত খুব দ্রুত দাগ পড়ার সম্ভাবনা না থাকলেও সঠিকভাবে পরিস্কার না করলে এতে দাগ পড়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই আপনাকে এটি সঠিক উপায়ে পরিস্কার করতে হবে। বাথরুমের টাইলস ঘরের চেয়ে দ্রুত ময়লা হয়ে যায়। এক্ষেত্রে আপনার প্রতি সপ্তাহে একবার করে বাথরুমের টাইলস পরিস্কার করতে হবে।

 

 

২। বাথরুমের মেঝেতে কখনো পানি ফেলে জমিয়ে রাখবেন না। এতে করে মেঝেতে শেওলা ধরে পিচ্ছিল হয়ে যেতে পারে এবং দাগ পড়তে পারে। যা শুধু আপনার বাথরুমের মেঝেই নষ্ট করবে না সাথে সাথে যেকোনো মারাত্নক দূর্ঘটনার কারণও হতে পারে।

৩। বাজারে অনেক ধরণের টাইলস ক্লিনার পাওয়া যায়। আপনি চাইলে আপনার পছন্দমত ফ্লেভারের একটি এনে নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন। টাইলস ক্লিনারটি কিছুক্ষণ ছিটিয়ে রেখে ধুয়ে পরিস্কার করে ফেললেই হবে।

৪। টাইলস পরিস্কার করার জন্য ব্রাশ ব্যবহার করুন। এই ব্রাশ দিয়ে ঘষে ঘষে পরিস্কার করলে আপনার টাইলসে আর কোনো ময়লা থাকবে না।

৫। টাইলস পরিস্কার করার জন্য বেকিং সোডা ব্যবহার করতে পারেন। বেকিং সোডা টাইলস পরিস্কারের ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এক্ষেত্রে আপনি বেকিং সোডা পানির সাথে মিশিয়ে অথবা শুধু বেকিং সোডা ছিটিয়েও পরিস্কার করতে পারেন।

৬। টাইলসে ঝকঝকে তকতকে ভাব আনার জন্য ভিনেগারের তুলনা নেই। সমপরিমাণে পানি ও ভিনেগার মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। এতে করে আপনার মুছতেও সুবিধা হবে এবং কাজটি দ্রুত ও সুন্দর হবে।

৭। মেঝের কোণার দিকগুলো চিকন ব্রাশ ব্যবহার করে ধুয়ে ফেলুন। তাহলে সব দাগই সম্পূর্ণভাবে পরিস্কার হয়ে যাবে। কোণার দিকগুলো নোংরা দেখা যাবে না।

কোনো কাজই আসলে তেমন জটিল হয় না যদি আপনি সিস্টেমেটিক ভাবে কাজটি করেন। আর সিস্টেম অনুযায়ী করলে যেকোনো কাজই দ্রুত এবং সহজও হয়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *